কোন চোখ দিয়ে তাকে আমি দেখি: ইবনে আরাবির কবিতা ও শান
তার দর্শনে আত্মশুদ্ধি ও সাধনা মানুষকে প্রস্তুত করে ঠিকই, কিন্তু চূড়ান্ত উপলব্ধি আসে স্রষ্টার তাজাল্লির মাধ্যমে।
৯ মিনিটে পড়া

মুহিউদ্দিন ইবনে আরাবি (১১৬৫–১২৪০); যিনি ইবনে আরাবি নামেই বেশি পরিচিত, ইসলামের ইতিহাসে সুফিতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক দর্শনের কেন্দ্রীয় এক ব্যক্তিত্ব। দার্শনিক, মরমি সাধক, কবি ও চিন্তাবিদ হিসেবে সমাদৃত এই পণ্ডিত বিশ্বজুড়ে ‘শেখ আল-আকবর’ বা ‘সর্বশ্রেষ্ঠ গুরু’ নামে খ্যাত।
তার জন্ম মুসলিম স্পেনের (আন্দালুসিয়া) মারসিয়া নগরে। শৈশব কেটেছে এমন এক যুগে, যখন আন্দালুসিয়ায় একই সঙ্গে চলছিল রাজনৈতিক টানাপোড়েন, সামরিক সংঘাত ও বৌদ্ধিক বিকাশের সন্ধিক্ষণ। একদিকে উত্তর দিক থেকে খ্রিস্টান রাজ্যগুলোর পুনর্দখল অভিযান (রিকনকুইস্তা), অন্যদিকে মুহাম্মদ ইবনে তুমার্ত (১০৭৭–১১৩০) প্রতিষ্ঠিত মুওয়াহহিদিন শাসকদের সংস্কারবাদী ধর্মীয় নীতির প্রভাব; এই দুইয়ের প্রভাবে আন্দালুসিয়ার সমাজ ক্রমশ বিস্তর পরিবর্তন-পরিশীলনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল।
১১৪৭ থেকে ১২৬৯ সাল পর্যন্ত মুওয়াহহিদিন সাম্রাজ্য (আলমোহাদ খিলাফত) মাগরেব ও আন্দালুসিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলগুলোকে শাসন করে। চারদিক অস্থিরতায় পরিপূর্ণ এমন এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে, বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতার পরিবর্তে আরাবি তার রচনায় গুরুত্ব দেন অন্তরের আধ্যাত্মিকতা, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহ ও তার বান্দার মধ্যকার প্রেমময় সম্পর্কের বিষয়টিকে। এক্ষেত্রে তিনি জুনায়েদ বাগদাদী, বায়েজিদ বোস্তামী ও মনসুর আল-হাল্লাজের মতো পূর্বসূরি সুফি-চিন্তকদের আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার গ্রহণ করে তাকে নিজস্ব দার্শনিক ব্যাখ্যায় সমৃদ্ধ করেছিলেন।
ইবনে আরাবির গবেষকরা মনে করেন, সেই সময়ে বিরাজমান রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, সামরিক সংঘাত এবং সামাজিক রূপান্তরের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তার চিন্তাচেতনায় দীর্ঘমেয়াদি ছাপ ফেলেছিল। অস্থির সেই সময়ের অভিজ্ঞতায় গড়ে ওঠা আরাবির আধ্যাত্মিক দর্শন পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ধরে ইসলামি মরমি চিন্তার গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বহু দার্শনিক এবং সাহিত্যিক ধারাকে প্রভাবিত করে। যুদ্ধ, বিভাজন ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের বিপরীতে তিনি এমন এক বিশ্বদর্শন উপস্থাপন করেন, যার কেন্দ্রে রয়েছে বিশ্বজনীন প্রেম এবং ‘ওয়াহদাত আল-উজুদ’ বা অস্তিত্বের একত্ব তত্ত্ব। সমস্ত অস্তিত্বের চূড়ান্ত উৎস ও বাস্তবতা এক; আর সৃষ্টিজগৎ সেই একক পরম সত্তারই বহুবিধ প্রকাশ। তিনি এও মনে করতেন, এই ঐক্য-উপলব্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো ইশক বা প্রেম।
আরাবির সাহিত্যকর্মের বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে কবিতা। এর অন্যতম উদাহরণ— ‘তর্জুমান আল-আশওয়াক’, অর্থ ‘প্রেমের আকাঙ্ক্ষার দোভাষী’। বইটি মূলত তার ঐশী প্রেমের কবিতার সংকলন। পরে তিনি নিজেই এর আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা বা শরহ রচনা করেন। সেই মূল আরবি পাঠ ও ব্যাখ্যাসহ ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেইনল্ড এ. নিকোলসন (১৮৬৮–১৯৪৫) ১৯১১ সালে বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।
ইংরেজিভাষী বিশ্বে আরাবির রচনার প্রথমদিকের অনুবাদগুলোর একটি হিসেবে এই প্রকাশনা বেশ গুরুত্ব পায়। ভাষাগত জটিলতা, মরমি দর্শন এবং ঐতিহাসিক নানা কারণে তার রচনা দীর্ঘদিন পশ্চিমা অ্যাকাডেমিক জগতে সীমিত পরিচিতির মধ্যে ছিল। নিকোলসনের এই অনুবাদ সেই দূরত্ব অনেকটাই কমিয়ে আনে এবং আরাবির চিন্তাকে আধুনিক বৈশ্বিক বৌদ্ধিক পরিসরে নতুনভাবে পরিচিত করে তোলে—যেখানে তার চিন্তা, ভাষা ও আধ্যাত্মিক তত্ত্ব আজও বিস্তৃত গবেষণা ও বিতর্কের বিষয়।
কেবল ‘তর্জুমান আল-আশওয়াক’-ই নয়, আরাবির অন্যান্য রচনাতেও কবিতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ফরাসি ইসলামি গবেষক ও অনুবাদক রজার দেলাদ্রিয়ের (১৯২১–২০১২)-এর গবেষণা অনুযায়ী, আরাবির ‘আল-ফুতুহাত আল-মাক্কিয়া’ বা ‘মক্কার দিব্যজ্ঞান’ বইটিতে ৭ হাজারেরও বেশি কবিতার পঙ্ক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গবেষকদের মতে, আরাবির কবিতা নিছক শব্দের অলংকার নয়; অন্তর থেকে উৎসারিত আত্মিক আকুতি, যা পাঠককে আহ্বান জানায় চিরন্তন ও অসীমের দিকে। সেই মরমি কাব্যভুবনের একটি আভাস তুলে ধরতেই এখানে তার তিনটি নির্বাচিত কবিতার ইংরেজি থেকে অনূদিত রূপ ও তাৎপর্য উপস্থাপন করা হলো।
হৃদয়ের এই হট্টগোল
যদি না থাকতো—
তোমাদের এই অতিরিক্ত প্যাঁচাল
আর হৃদয়ের এই হট্টগোল;
তবে আমি যা দেখি, তোমরাও তা-ই দেখতে,
আর আমি যা শুনি, তোমরাও তা-ই শুনতে!
তাৎপর্য: রেইনল্ড এ. নিকোলসন অনূদিত ইবনে আরাবির এই কবিতাটি দ্বাদশ–ত্রয়োদশ শতকের সুফি-চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে অবস্থান করে। সে সময় ইসলামের বৌদ্ধিক পরিসরে নিও-প্লেটোনিক ধারণার প্রভাব, সুফি অধিবিদ্যা এবং কুরআনের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছিল জটিল এক জ্ঞানতাত্ত্বিক পরিমণ্ডল। কবিতাটির কেন্দ্রীয় বক্তব্য মানুষের উপলব্ধির সীমা নিয়ে। কবির মতে, সত্য নিজে বিভক্ত নয়; মানুষের অন্তর্গত অস্থিরতা, অহংকার, কোলাহল ও মানসিক বিভ্রান্তিই সত্যকে খণ্ডিত করে তোলে। আর হৃদয়ের এই কোলাহল স্তব্ধ হলে মানুষ একই সত্য দেখতে এবং একই আহ্বান শুনতে সক্ষম হতো বলে কবি ইঙ্গিত করেন।
এই ধারণাটি সুফি দর্শনের ‘কাশফ’ বা আধ্যাত্মিক উন্মোচন এবং ‘ওয়াহদাত আল-উজুদ’-এর সঙ্গেও সম্পর্কিত। এখানে জ্ঞানের উৎস কেবল যুক্তি বা ইন্দ্রিয় নয়; বরং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে হৃদয়ের পর্দা অপসারিত হলে সত্য নিজেই উদ্ভাসিত হয়। আরাবির দৃষ্টিতে ব্যক্তিসত্তা বিচ্ছিন্ন কোনো বাস্তবতা নয়; তা বৃহত্তর অস্তিত্বেরই এক প্রকাশ। ফলে জ্ঞান অর্জনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে অন্তরের পরিশুদ্ধি।
আমার প্রাণের প্রিয়ে যখন দেখা দেয়
আমার প্রাণের প্রিয়ে যখন দেখা দেয়,
কোন চোখ দিয়ে তাকে আমি দেখি?
তারই চোখে, আমার চোখ দিয়ে নয়;
কেননা—
আর কেউ তাকে দেখে না, তিনি ছাড়া।
তাৎপর্য: রেইনল্ড এ. নিকোলসন-অনূদিত ইবনে আরাবির এই কবিতাটিও দ্বাদশ–ত্রয়োদশ শতকের সুফি বৌদ্ধিক পরিমণ্ডলে অবস্থান করে। সংক্ষিপ্ত অথচ কূটাভাসপূর্ণ ভাষায় নির্মিত এই কবিতায় কবি উপলব্ধি, দর্শন এবং স্রষ্টা-সৃষ্টির সম্পর্ক বিষয়ে অধিবিদ্যাগত এক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। কবিতাটির মূল বক্তব্য: স্রষ্টাকে জানার ক্ষেত্রে মানুষের স্বতন্ত্র সত্তা চূড়ান্ত উৎস নয়; বরং স্রষ্টার আত্মপ্রকাশ বা তাজাল্লির মাধ্যমেই তাকে উপলব্ধি করা সম্ভব।
এটিও সুফি দর্শনের ‘ওয়াহদাত আল-উজুদ’ ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত—যেখানে বলা হয়, যা কিছু বিদ্যমান, তার পেছনে মূল সত্য একটিই; আর এই দৃশ্যমান জগৎ সেই পরম বাস্তবতারই অজস্র ভিন্ন রূপের প্রকাশ। ফলে কবিতাটিতে বক্তার দৃষ্টি ও ঐশী দৃষ্টির মধ্যে যে আপাত দ্বৈততা রয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত বিলীন হয়ে যায়। কেননা, স্রষ্টাকে দেখার ক্ষমতাটিও মূলত তারই দান।
আঙ্গিকের দিক থেকে কবিতাটি সংক্ষিপ্ত। এর মূল বিষয় বিরহ বা মিলনের আবেগ নয়, বরং উপলব্ধির প্রকৃতি—মানুষ কীভাবে এবং কোন শক্তির মাধ্যমে সত্যকে জানতে পারে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আরাবির কাছে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল ব্যক্তিগত সাধনার অর্জন নয়, ঐশী প্রকাশের দুর্লভ মুহূর্ত। তার দর্শনে আত্মশুদ্ধি ও সাধনা মানুষকে প্রস্তুত করে ঠিকই, কিন্তু চূড়ান্ত উপলব্ধি আসে স্রষ্টার তাজাল্লির মাধ্যমে। এই কারণে কবিতাটি প্রচলিত ভক্তিমূলক কবিতার সীমা অতিক্রম করে পরিণত হয় অস্তিত্ব, জ্ঞান ও ঐশী উপস্থিতির দার্শনিক অনুসন্ধানে।
বাগদাদের গান
হায়, বাগদাদের কারুকাজ করা প্রাসাদ!
সিন্দাদ আল-হিরার আলিশান-কার্নিশ তা নয়—
এ তো নিচের দিকে ধাপে ধাপে নামা বাগানের মুকুট,
সুগন্ধি ঘরে ঘোমটা খোলা এক কুমারী যেন বা।
বাতাস দোল খায় ডালে, তারা নুয়ে পড়ে।
অবশেষে এক হয় প্রেমিক আর প্রেমিকা।
টাইগ্রিস হার হয়ে আছে তার গলায়
তার প্রভু আমাদের নেতা ইমাম আল-হাদি,
নাসির, মনসুর, শ্রেষ্ঠ খলিফা সব
ঘোড়ায় চড়ে যারা কখনও যুদ্ধে যাননি।
আল্লাহ তার মঙ্গল করুন
যতদিন দোল খাওয়া ডালে ডাকবে ঘুঘু,
যতদিন ঝলকে উঠবে হাসি বিদ্যুতের মতো
(আর তার উত্তরে মেঘের মতো ঝরবে চোখ);
কুয়াশা সরে গেলে সূর্যের মতো এক বধূ যেন—
মেলে ধরে নিজেকে জ্যোতির্ময় বিভায়।
তাৎপর্য: এই কবিতাটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মার্কিন ইসলামি অধ্যয়নবিদ এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল এ. সেলস (১৯৪৯–)। ইবনে আরাবি এটি আব্বাসীয় যুগের শেষভাগের সাংস্কৃতিক স্মৃতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে রচনা করেন। তখনকার বাগদাদ আর আগের মতো সাম্রাজ্যিক শক্তির কেন্দ্র না থাকলেও ইসলামি জ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান নগর হিসেবে তার মর্যাদা অটুট ছিল।
কবিতাটিতে ধ্রুপদি আরবি কাসিদা ধারার রীতির প্রতিফলন দেখা যায়। তবে প্রচলিত যুদ্ধবীরত্ব বা গোত্রীয় গৌরবের পরিবর্তে কবি এখানে নগরের সৌন্দর্য, তার আধ্যাত্মিক তাৎপর্য এবং শান্তিপূর্ণ মর্যাদাকে সামনে এনেছেন। তিনি বাগদাদের প্রাসাদকে কুমারীর সঙ্গে এবং টাইগ্রিস বা দজলা নদীকে অলংকারের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই রূপকের মাধ্যমে নগরের ভৌগোলিক সৌন্দর্য কেবল দৃশ্যমানই থাকে না, পরিণত হয় নান্দনিক ও প্রতীকী অভিজ্ঞতায়।
কবিতাটিতে খলিফার প্রশংসা প্রচলিত রাজকীয় প্রশস্তির ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এর ভাষায় একটি তাৎপর্য রয়েছে। “যারা কখনও যুদ্ধে যাননি”—এই চিত্রটি সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে শান্তি, স্থিতি ও মর্যাদাকে শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। এটি আরাবির সেই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বাহ্যিক ক্ষমতার চেয়ে অন্তর্গত গুণ ও সৌন্দর্যের মূল্য বেশি। তার অধিবিদ্যাগত অন্যান্য রচনার তুলনায় এই কবিতাটি অপেক্ষাকৃত প্রথাগত আরবি কাব্যরীতির কাছাকাছি।
তবে জাগতিক সৌন্দর্যের মধ্যে ঐশ্বরিক ইশারা অনুসন্ধানের কারণে এটি তাৎপর্যপূর্ণ। সমকালীন আরবি প্রশংসামূলক কবিতায় (মাদিহ) যেখানে সামরিক শক্তি ও বিজয় প্রায়ই প্রধান উপজীব্য ছিল, সেখানে আরাবি নগর, সৌন্দর্য ও শান্তির বিকল্প এক কাব্যিক কল্পনা নির্মাণ করেছেন। আট শতাব্দী পরও কবিতাটির আবেদন এখানেই। এটি একটি শহরকে শুধু ইতিহাসের অংশ হিসেবে নয়, রূপান্তরিত করে সৌন্দর্য আর স্মৃতির জীবন্ত প্রতীকে।
তথ্যসূত্র:
১. ‘দ্য মুহিউদ্দিন ইবনে আরাবি সোসাইটি’ (এমআইএএস)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও জার্নাল।
২. রেনল্ড এ. নিকোলসন-এর অনূদিত বই: ‘দ্য তর্জুমান আল-আশওয়াক: আ কালেকশন অব মিস্টিক্যাল ওডস’।
৩. মাইকেল এ. সেলস-এর গবেষণা বই: ‘স্টেশনস অব ডিজায়ার: লাভ পোয়েমস ফ্রম ইবনে আরাবি’।
- কবিতা
- ইবনে আরাবি
- মরমি সাধক
- সুফি সাধক
- স্পেন
- আন্দালুসিয়া
- সুফিতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক দর্শন
লেখাটি কেমন লাগল?
- ১টি ভালোবাসা
- গড় রেটিং ৫.০ (১টি রেটিং)

লেখক
কবি, লেখক ও উন্নয়ন গবেষক
জন্ম- ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৯১, বরিশাল। পড়াশোনা করেছেন বরিশাল ক্যাডেট কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃবিজ্ঞানে। প্রকাশিত কবিতার বই চারটি— ‘নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কাঁদতে নেই’, ‘প্রার্থনা ও প্রেমে শরিক রাখতে নেই’, ‘প্রত্যেকেই পৃথক পৃথিবী’ ও 'ছায়াবৃক্ষ হারিয়েছে গেছে'। গদ্যের বই— ‘কাচের কুয়াশা’, ‘প্রাপক পানকৌড়ি’ ও ‘রাজহাঁসের চিঠি’। রম্য— ‘ক্যাডেট রম্য’। বর্তমানে ব্র্যাক-এ কর্মরত।

মন্তব্য
মন্তব্য লোড হচ্ছে…